অনলাইন পিটিশন ও পোলে বেনামে অংশ নিন
আজকাল অনলাইনে নানা সামাজিক কারণ, পিটিশন বা পোল দেখা যায়। এগুলোতে অংশ নেওয়া জরুরি, কিন্তু অনেক সময় আমরা চাই না আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য সেখানে দেওয়া হোক। বিশেষ করে যদি সেই প্ল্যাটফর্মগুলো পরে আপনাকে ক্রমাগত ইমেইল পাঠাতে থাকে। এখানেই টেম্পোরারি ইমেইল বা ডিসপোজেবল ইমেইলের কাজ।কেন দরকার এই সাময়িক ইমেইল?
ধরুন, আপনি Bikroy বা Daraz Bangladesh-এর মতো প্ল্যাটফর্মে কেনাকাটা করছেন। অনেক সময় নতুন অ্যাকাউন্ট খুললে বা কোনো অফারের জন্য ইমেইল আইডি দিতে হয়। আপনি হয়তো শুধু ওই একবারের জন্য ইমেইল ব্যবহার করতে চান। কিন্তু আপনার আসল Gmail বা Yahoo আইডিতে পরে নানা রকম প্রচারমূলক ইমেইল আসতে শুরু করবে। একইভাবে, কোনো অনলাইন পিটিশন বা পোল-এ সই করার সময় অনেক সময় ইমেইল আইডি চাওয়া হয়। আপনি হয়তো শুধু আপনার সমর্থন জানাতে চান, কিন্তু পরে সেই প্ল্যাটফর্ম থেকে আপনার আসল ইমেইল আইডিতে নানা রকম অনুরোধ বা বার্তা আসতে পারে। যদি আপনি চান যে আপনার আসল পরিচয় গোপন থাকুক এবং পরে কোনো রকম যোগাযোগ না আসুক, তাহলে সাময়িক ইমেইল আইডি ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।কীভাবে কাজ করে?
টেম্পোরারি ইমেইল সার্ভিসগুলো আপনাকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি ইমেইল আইডি দেয়। এর জন্য কোনো রেজিস্ট্রেশন বা ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনি ওই আইডি দিয়ে যেকোনো ওয়েবসাইটে সাইন আপ করতে পারেন, ইমেইল গ্রহণ করতে পারেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই ইমেইল আইডি-র ইনবক্সটি আর ব্যবহারযোগ্য থাকে না, বা নির্দিষ্ট সময় পর এমনিতেই মুছে যায়।কীভাবে ব্যবহার করবেন?
1. টেম্পোরারি ইমেইল ওয়েবসাইট খুঁজুন: গুগলে "temporary email" বা "disposable email" লিখে সার্চ করলে অনেক অপশন পাবেন। 2. একটি আইডি তৈরি করুন: যেকোনো একটি ওয়েবসাইট থেকে একটি ইউনিক ইমেইল আইডি বেছে নিন বা জেনারেট করুন। 3. ব্যবহার করুন: যে ওয়েবসাইটে সাইন আপ করতে চান, সেখানে এই সাময়িক ইমেইল আইডি দিন। 4. ইমেইল যাচাই করুন: যদি কোনো ভেরিফিকেশন ইমেইল আসে, তবে সেটি ওই টেম্পোরারি ইমেইল সার্ভিসেই দেখতে পাবেন। 5. কাজ শেষ: আপনার কাজ হয়ে গেলে, ওই ইমেইল আইডি নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।বিজ্ঞাপন এড়িয়ে চলুন
এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি সহজেই অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন এবং স্প্যাম ইমেইল থেকে বাঁচতে পারেন। যখনই কোনো ফোরামে, ওয়েবসাইটে বা অনলাইন সার্ভিসে সাইন আপ করার প্রয়োজন হবে, একটি সাময়িক ইমেইল ব্যবহার করুন। এতে আপনার আসল ইমেইল সুরক্ষিত থাকবে এবং অপ্রয়োজনীয় ইমেইলের জঞ্জাল জমবে না। এইভাবে, আপনি সামাজিক কারণগুলিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন, অনলাইন কেনাকাটা উপভোগ করতে পারবেন এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের উপর আরও নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন।দ্রুত অস্থায়ী ইমেইল ব্যবহার করে দেখতে চাইলে, রেজিস্ট্রেশন আর ভেরিফিকেশন কোড নিতে নিজের আসল ইমেইল না দিয়েও কাজ হয়ে যায়।